Posts

আল -কুরআন হিদায়াতের একমাত্র কিতাব:

  আল -কুরআন হিদায়াতের একমাত্র কিতাব: আল -কুরআন হচ্ছে বিশ্ব মানবাতার জন্য হিদায়াতের একমাত্র কিতাব। এই কুরআনই বিশ্বের সকল মানুষকে সঠিক পথের সন্ধান দিতে পারে, হিদায়াতের আলোয় আলোকিত করতে পারে। আল্লাহ তাআলা বলেন, إِنَّ هَذَا الْقُرْآَنَ يَهْدِي لِلَّتِي هِيَ أَقْوَمُ وَيُبَشِّرُ الْمُؤْمِنِينَ الَّذِينَ يَعْمَلُونَ الصَّالِحَاتِ أَنَّ لَهُمْ أَجْرًا كَبِيرًا  وَأَنَّ الَّذِينَ لَا  يُؤْمِنُونَ بِالْآَخِرَةِ أَعْتَدْنَا لَهُمْ عَذَابًا أَلِيمًا “নিশ্চয় এ কুরআন এমন একটি পথ দেখায় যা সবচেয়ে সরল এবং যে মুমিনগণ নেক আমল করে তাদেরকে সুসংবাদ দেয় যে, তাদের জন্য রয়েছে মহাপুরস্কার। আর যারা আখিরাতে ঈমান রাখে না আমি তাদের জন্য প্রস্তুত করেছি যন্ত্রণাদায়ক আযাব।” (সূরা বনি ইসরাইল- ৯-১০) قَدْ جَاءَكُمْ مِنَ اللَّهِ نُورٌ وَكِتَابٌ مُبِينٌ (১৫) يَهْدِي بِهِ اللَّهُ مَنِ اتَّبَعَ رِضْوَانَهُ سُبُلَ السَّلَامِ وَيُخْرِجُهُمْ مِنَ الظُّلُمَاتِ إِلَى النُّورِ بِإِذْنِهِ وَيَهْدِيهِمْ إِلَى صِرَاطٍ مُسْتَقِيمٍ “অবশ্যই তোমাদের নিকট আল্লাহর পক্ষ থেকে আলো ও স্পষ্ট কিতাব এসেছে। এর মাধ্যমে আল্লাহ তাদেরকে...

আল -কুরআন শিক্ষা করা সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত:

  আল -কুরআন শিক্ষা করা সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত: আল -কুরআন অধ্যয়ন করা, কুরআন জানা-বুঝার চেষ্টা করা পৃথিবীর সকল কাজের মধ্যে শ্রেষ্ঠ কাজ। কারণ এ কুরআনের মধ্যে রয়েছে মানুষের জীবন পরিচালনা পদ্ধতি, হিদায়াতের সঠিক পথ। প্রত্যেক কাজ শুরু করার সময় রাসূল (সা.) বিসমিল্লাহ পড়ে (আল্লাহর নাম নিয়ে) শুরু করার কথা বলেছেন। কিন্তু কোন কাজ শুরু করার আগে ‘আউযুবিল্লাহি মিনাশ শাইতারিজ রাজীম’ অর্থাৎ শয়তানের কুমন্ত্রনা থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করতে বলেননি। তবে একটি কাজ করার আগে স্বয়ং আল্লাহ তাআলা শয়তানের কুমন্ত্রনা থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করতে বলেছেন, সেটা হলো আল -কুরআন তিলাওয়াত বা অধ্যয়নের সময়। এ সম্পর্কে আল -কুরআনে বর্ণিত হয়েছে, فَإِذَا قَرَأْتَ الْقُرْآنَ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ “সুতরাং যখন তুমি কুরআন পড়বে তখন আল্লাহর কাছে বিতাড়িত শয়তান হতে পানাহ চাও।” (সূরা আন-নাহল-৯৮) আল -কুরআনের এ বক্তব্য থেকে জানা যায়, শয়তান সকল কাজে কুমন্ত্রনা দেয়, তবে কুরআন অধ্যয়নের সময় সবচেয়ে বেশী কুমন্ত্রনা দেয়। কারণ কুরআন যাতে মানুষ বুঝতে না পারে, সেজন্য শয়তান বেশী চেষ্টা করে। মুসলমানরা কু...

আল -কুরআন শিক্ষা করা ফরজ:

  আল -কুরআন শিক্ষা করা ফরজ: আল -কুরআনের প্রথম বাণী হচ্ছে, اقْرَأْ بِاسْمِ رَبِّكَ الَّذِي خَلَقَ “পড় তোমার প্রভুর নামে যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন।” (সূরা আলাক-১) এখানে ইক্বরা, অর্থ: পড়ো। এ আয়াতের মাধ্যমে প্রত্যেক মুসলিমকে আল্লাহ জানিয়ে দিলেন তোমরা জানার জন্য, বোঝার জন্য এবং সঠিকটা মেনে চলার জন্য পড়া-লেখা করো, অধ্যয়ন করো। অর্থাৎ জ্ঞান অর্জন করা প্রত্যেক মুসলমানদের জন্য আল্লাহ তাআলা ফরজ করে দিয়েছেন। আর এটার বাস্তব নির্দেশ দিয়েছেন রাসূল (সা.)। আল -হাদীসে বর্ণিত হয়েছে, عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى الله عَليْهِ وسَلَّمَ : طَلَبُ الْعِلْمِ فَرِيضَةٌ عَلَى كُلِّ مُسْلِمٍ “হযরত আনাস ইবনে মালিক (রা.) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূল (সা.) বলেছেন, জ্ঞান অর্জন করা প্রত্যেক মুসলমানের উপরে ফরজ।” (সূনান ইবনে মাজা) জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি আল -কুরআন শিক্ষা করাও প্রত্যেক মুসলমানের উপরে আল্লাহ ফরজ করে দিয়েছেন। রাসূল (সা.) এ সম্পর্কে মুসলমানদেরকে নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, عَنْ أَبِى هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم تَعَلَّمُوا الْقُرْآنَ وَالْفَرَائِضَ وَع...

সহীহ কোরআন শিখার গুরুত্ব

Image
সহীহ কোরআন শিখার গুরুত্ব   রাসুল সা: বলেছেন, তোমাদের মাঝে সেই ব্যক্তি উত্তম যে নিজে কোরআন শিখে এবং অন্যকে তা শিক্ষা দেয়। (সহীহ বুখারী) অন্য হাদীসে বলা হয়েছে, পবিত্র কোরআনের একটি হরফ (অক্ষর) তিলাওয়াতের জন্য দশটি নেকী পাওয়া যায়। আমরা যারা ইসলাম ধর্মের অনুসারী তাদের প্রত্যেক এর জন্য কুরআন পড়া আবশ্যক। কিন্তু ছোটবেলায় যারা কোরআন পড়া শিখেছে পরবর্তীতে চর্চা না থাকার কারণে অনেকেই তা পড়তে পারে না। আবার এমন অনেকেই আছে যারা ইসলাম ধর্মের অনুসারী হয়েও নানা কারণে কোরআন শিখতে পারেনি। কিন্তু প্রতিদিনের নামাজ আদায়ের জন্য কোরআনের বিভিন্ন সূরা জানা আবশ্যক। এছাড়া সঠিকভাবে ইসলামী জীবন ধারণের জন্য কোরআন পড়া ও অর্থজানা অবশ্যই কর্তব্য। তাই নিজের ও পরিবারের ছোট বড় সকলের জন্য কোরআন শেখার ব্যবস্থা থাকা উচিত।

গজলের কথাগুলো খুব লাগে।

 গজলের কথাগুলো খুব লাগে। 

সেদিনের আন্দলোন

Image
  বিফলে যায়নি আল্লামা আহমদ শফি র শেষ রাতের অশ্রু। বিফলে যায়নি আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী র অগ্নিঝড়া বক্তব্য। বিফলে যায়নি আল্লামা নুর হোসাইন কাসেমির আন্দোলন। বিফলে যায়নি ওলামা কেরামের কারাবরণ। খুব একটা বেশি সময় পূর্বের কথা নয়,,!! ২০১৩ সাল,, ছিল বাঙালির জন্য এক কালো অধ্যায়। স্কুল-কলেজ ও ভার্সিটির ছাত্র-ছাত্রীরা শাহবাগের মোড়ে জমা হয়েছিলো; অবিশ্বাসীদের ধোকায় পড়ে। আর আজ ২০২২ সাল,একই জায়গা, একই মানুষ,ওই স্কুল-কলেজ ভার্সিটির ছাত্র-ছাত্রীরাই জমা হয়েছে। তবে অবিশ্বাসীদের ধোকায় পড়ে নয়,নবীপ্রেমের নাজরানা হয়ে শাপলা (শহীদ) চত্বর ময়দানে,,. ইতিহাস পরিবর্তন হয়। ইসলাম এভাবে জিন্দা হয়। তোমাদের জন্য রইল একরাশ  অভিনন্দন  ও ভালোবাসা,,,,,