আল -কুরআন শিক্ষা করা সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত:

 

আল -কুরআন শিক্ষা করা সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত:

আল -কুরআন অধ্যয়ন করা, কুরআন জানা-বুঝার চেষ্টা করা পৃথিবীর সকল কাজের মধ্যে শ্রেষ্ঠ কাজ। কারণ এ কুরআনের মধ্যে রয়েছে মানুষের জীবন পরিচালনা পদ্ধতি, হিদায়াতের সঠিক পথ। প্রত্যেক কাজ শুরু করার সময় রাসূল (সা.) বিসমিল্লাহ পড়ে (আল্লাহর নাম নিয়ে) শুরু করার কথা বলেছেন। কিন্তু কোন কাজ শুরু করার আগে ‘আউযুবিল্লাহি মিনাশ শাইতারিজ রাজীম’ অর্থাৎ শয়তানের কুমন্ত্রনা থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করতে বলেননি। তবে একটি কাজ করার আগে স্বয়ং আল্লাহ তাআলা শয়তানের কুমন্ত্রনা থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করতে বলেছেন, সেটা হলো আল -কুরআন তিলাওয়াত বা অধ্যয়নের সময়। এ সম্পর্কে আল -কুরআনে বর্ণিত হয়েছে,

فَإِذَا قَرَأْتَ الْقُرْآنَ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ

“সুতরাং যখন তুমি কুরআন পড়বে তখন আল্লাহর কাছে বিতাড়িত শয়তান হতে পানাহ চাও।” (সূরা আন-নাহল-৯৮)

আল -কুরআনের এ বক্তব্য থেকে জানা যায়, শয়তান সকল কাজে কুমন্ত্রনা দেয়, তবে কুরআন অধ্যয়নের সময় সবচেয়ে বেশী কুমন্ত্রনা দেয়। কারণ কুরআন যাতে মানুষ বুঝতে না পারে, সেজন্য শয়তান বেশী চেষ্টা করে। মুসলমানরা কুরআন থেকে দূরে সরে থাকলে শয়তান বেশী খুশি হয়। এজন্যই আল্লাহ তাআলা কুরআন অধ্যয়নের সময় শয়তান থেকে আশ্রয় চাওয়ার কথা বলেছেন। এজন্য আমাদের উচিৎ আল -কুরআন জানা ও বোঝার জন্য সবচেয়ে বেশী চেষ্টা করা।

Comments

Popular posts from this blog

আল -কুরআনের মধ্যে সকল সমস্যার সমাধান রয়েছে:

কুরআনের একটি আয়াত হলেও সেটা মানুষের কাছে পৌছে দাও

কুরআন অধ্যয়নকারীকে আল্লাহ স্বরণ করেন: